রাবি ছাত্রলীগ : ১৭ হলে সভাপতি-সম্পাদক হতে চান ৪১৬ জন

রাবিতে ছিনতাই ঠেকাতে গাড়িতে ‘বিশেষ স্টিকার’ ব্যবহারের নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্কঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের হল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ মার্চ।

সম্মেলনকে ঘিরে ইতিমধ্যে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগের কর্মীরা। দীর্ঘদিন রাজনীতি করার পরও যারা পদ-পদবি থেকে বঞ্চিত ছিলেন, তাদের সামনে নেতা হওয়ার এক অপার সুযোগ। তাই সম্মেলন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কে আসবে হলের দায়িত্বে-এ নিয়ে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ব্যানার-ফেস্টুন ও মিছিল-মিটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পদপ্রত্যাশীরা।

রুটিন করে দলীয় টেন্টে বেড়েছে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস শ্লোগানে শ্লোগানে মুখর। সব মিলিয়ে ক্যাম্পাসে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি আবাসিক হলে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন ৪১৬ জন ছাত্রলীগ কর্মী।

এর মধ্যে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে ২২ জন, মন্নুজান হলে ১৭ জন, তাপসী রাবেয়া হলে ৭ জন, রহমতুন্নেসা হলে ৮ জন, খালেদা জিয়া হলে ৯ জন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ৪২ জন, শের ই বাংলা এ কে ফজলুল হক হলে ৩০ জন, মতিহার হলে ২২ জন, শাহ মখদুম হলে ৩৪ জন, সৈয়দ আমীর আলী হলে ২৮ জন, লতিফ হলে ২৬ জন, জোহা হলে ২৫ জন, হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী হলে ৪০ জন, মাদার বখশ হলে ৩১ জন, শহিদ হবিবুর রহমান হলে ৩৭ জন ও জিয়াউর রহমান হলে ২৮ জন।

রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু জানান, ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি হল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনিবার্য কারণবশত সেই সময়ে সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি। তবে সম্মেলনের জন্য প্রত্যেক হলের সকল পদপ্রত্যাশীদের ১৮ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ও উপ-দপ্তর সম্পাদক বরাবর জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল। ওই সময়ে ১৭টি আবাসিক হলে মোট ৪১৬ জন জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়।

তিনি বলেন, ‘জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার অনেকদিন হয়েছে। জীবনবৃত্তান্তগুলো আমরা ভালোভাবে পর্যালোচনা করেছি। তাছাড়া যারা জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছে, তারা সকলেই আমাদের পরিচিত। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিল, পারিবারিকভাবে যারা আওয়ামী লীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং যাদের সবচেয়ে বেশি যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা আছে তাদেরকেই আমরা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়ার চেষ্টা করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here