রমেক হাসপাতালে কিডনি বিভাগের অবস্থা নাজুক!

রমেক হাসপাতালে কিডনি বিভাগের অবস্থা নাজুক!
ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেফ্রোলজি বিভাগে কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস মেশিন মাত্র ১৬টি সচল রয়েছে। ফলে কিডনি রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীরা ঠিকভাবে সেবা পাচ্ছেন না। কিছুদিন আগেও প্রায় ২৮টি ডায়ালাইসিস মেশিন ছিল। নষ্ট হতে হতে এখন ১৬টিতে এসে দাঁড়িয়েছে।

রমেক হাসপাতালের ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড সূত্রে জানা গেছে, রংপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার দুই শতাধিক কিডনি রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তারা অগ্রীম টাকা জমা দিয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। তাদের প্রতি সপ্তাহে অন্তত চারদিন ডায়ালাইসিস করার জন্য আসতে হয়। এছাড়াও নতুন রোগী তো আছেই। কিন্তু ২৮টি ডায়ালাইসিস মেশিনের মধ্যে ৯টিই বিকল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অনেক সময় রোগীরা দুই থেকে ৩ দিন লাইন দিয়ে সিরিয়াল পাচ্ছে না।

ফলে কিডনি রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া পানি ফিল্টারিং করার মেশিন বেশিরভাগ সময় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। পানির অভাবে ডায়ালাইসিস মেশিন অনেক সময় কাজ করে না। ফিল্টার মেশিনে যেখানে ঘণ্টায় ১০ লিটার পানি সরবরাহ করার কথা সেখানে অনেক কম পানি সরবরাহ করছে। রোগীরা অভিযোগ করেছেন এই বিভাগের রোগীদের স্যালাইন, সুইসহ অন্যন্য ওষুধ পথ্য সব জিনিস বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। ফলে সরকারি হাসপাতাল হিসেবে যে সব সেবা পাওয়ার কথা, তারা তা পাচ্ছেন না।

ওই বিভাগের রোগীর স্বজন সাহাবুল হক বলেন, আমরা ২৫ হাজার টাকার প্যাকেজ কিনেছি। যা দিয়ে মাসে চার বার করে ছয় মাস ডায়ালাইসিস করার কথা। কিন্তু সুই থেকে শুরু করে সব জিনিসই বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। একজন রোগীর ডায়ালাইসিস করতে ৪ ঘণ্টা লাগে। সেখানে দেড় থেকে দুই ঘণ্টার বেশি ডায়ালাইসিস করানো হয় না।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. রেজাউল করিম কিডনি বিভাগের ১৬টি ডায়ালাইসিস মেশিন সার্বক্ষণিক চালু রয়েছে দাবি করে বলেন, ওই ওয়ার্ডে সব কিছুই স্বাভাবিক রয়েছে। ডায়ালাইসিসের অভাবে গত কয়েকদিনে কোনো রোগী মারা যাননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here