সাগর-রুনি হত্যা মামলা: সেই পুরোনো প্রতিশ্রুতি র‌্যাবের

0
20
সাগর-রুনি হত্যা মামলা: সেই পুরোনো প্রতিশ্রুতি র‌্যাবের

অনলাইন ডেস্কঃ ১০ বছরেও শেষ হয়নি সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত। খুব শিগগির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছে র‍্যাব। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে শুক্রবার দুপুরে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মঈন বলেন, ‘আপনারা জানেন র‍্যাব যখন কোনো মামলার তদন্ত করে, তখন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে তদন্ত করার চেষ্টা করে। আমাদের একটাই উদ্দেশ্য থাকে, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন আমাদের তদন্তের মাধ্যমে সাজা না পায়।’

র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দুই মাস পর র‍্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। র‍্যাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই মামলা তদন্ত করছে। এই মামলার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ডিবি, সিআইডি, সাংবাদিক ভাই-বোনেরাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা কাজ করেছে, তাদের কাছে যা তথ্য-উপাত্ত ছিল আমরা সবকিছুর চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছি। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের ১৬০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছি।’

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন, ‘এই ঘটনায় যে সকল আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিভিন্ন সময়ে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে র‍্যাব ও সরকার এতটাই গুরুত্ব দিয়েছে যে, মামলার বিভিন্ন আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিদেশেও পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে আমরা বিভিন্ন তথ্য পেয়েছি। সেগুলো পর্যালোচনা করছি। আমরা এখনো তদন্ত চলমান রেখেছি। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। আমাদের একটাই কথা—আমরা চাইব না কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন দোষী সাব্যস্ত হয়।’

কবে এই দ্রুত সময় শেষ হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মঈন বলেন, ‘এই মামলার অনেক আলামত ডিএনএসহ বিদেশে পাঠাতে হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট পেতে সময় লেগেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করছি। আমরা অত্যন্ত আন্তরিক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে সব দিকগুলো খতিয়ে দেখছেন। এতেই আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে। পাশাপাশি আমরা টাইম টু টাইম মামলার অগ্রগতি আদালতে জানিয়েছি। ফলে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে সময় বাড়িয়ে দিয়েছেন। তদন্ত চলমান রয়েছে। আশা করি, শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’

এই ধরনের মামলা তদন্তে র‍্যাবের সক্ষমতা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মঈন বলেন, ‘এ বিষয়টি এমন না। র‍্যাব অনেক চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত করেছে। চট্টগ্রামে মাদক ও হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব পালন করেছে। আর যখন আদালত র‍্যাবকে মামলার তদন্ত দেন, তখনই র‍্যাব কাজ করে। মানুষের এই আস্থা রয়েছে বলেই বিভিন্ন মামলার তদন্তভার আদালতের মাধ্যমে র‍্যাব পায়।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here